shidol shutki
shidol shutki

মেঘ্লাম কচুর ডাটা কি ভাবে সিদল শুটকি রান্না করবেন?

কচুর ডাটার অনেক ভাবেই রান্না করা যায়, তবে আপনাদের জন্য দুটো রেসিপি দিচ্ছি,  রান্না করে দেখতে পারেন

কচুর ডাটার ঘণ্ট: উপকরণ কচু সিদ্ধ আড়াই কাপ। পেঁয়াজকুচি ১টি। রসুনে কোয়া আস্ত ২টি। হলুদ, মরিচ, ধনে ও জিরা গুঁড়া আধা চা-চামচ করে। আদা ও রসুন বাটা আধা চা-চামচ করে। কালোজিরা ১ চা-চামচ। তেজপাতা ২টি। শুকনামরিচ ২,৩টি (ইচ্ছা)। কাঁচামরিচ ফালি ৭,৮টি। তেল পরিমাণ মতো। চিনি ও লবণ স্বাদ মতো।

প্রণালী: সামান্য হলুদ, লবণ দিয়ে কচু সিদ্ধ করে পানি ছেঁকে নিন। প্যানে তেল গরম করে কালিজিরা, তেজপাতা ও শুকনামরিচ ফোঁড়ন দিয়ে পেঁয়াজকুচি দিন। যদি নিরামিষভাবে খেতে চান তাহলে পেঁয়াজ/রসুন ছাড়াই করতে পারেন।এবার সামান্য পানিতে সব গুঁড়া ও বাটামসলা ভালোভাবে কষিয়ে নিন যেন মসলার কাঁচা গন্ধ না থাকে। মসলা থেকে তেল ছেড়ে আসলে কচু, রসুনকুচি দিয়ে মিশিয়ে নিন। কিছুক্ষণ রান্না করে স্বাদ মতো চিনি ও লবণ দিন। কচুর পানি শুকিয়ে প্যানের গা ছেড়ে আসলে কাঁচামরিচ-ফালি মিশিয়ে নামিয়ে ফেলুন। আর উত্তরাঞ্চলের বিখ্যাত খাবার সিদল তো আছেই l যদি আপনি শুটকি প্রেমী হোন তাহলে কচুর ডাটা আর শুটকি মিলে তৈরী করতে পারেন সিদল l শুটকি সেদ্ধ করে পেস্ট বা শীল পাটায় বেটে ভর্তা বানানো হয়। এর পর এর সঙ্গে কচুর ডাটা সিদ্ধ করে তারও পেস্ট বানানো হয়। এর পর এই দুই পেস্ট কে একত্রে মিশিয়ে ছোট ছোট আকারের পাতলা গোল গোল পিঠের মত আকার দিয়ে রোদে শুকানো হয়। দুই পেস্ট এর মিশ্রণ অনুপাত হবে—মাছ : কচু = ২ : ১ ; খুব ভাল করে শুকিয়ে এই গোল গোল পিঠে আকৃতির সিদলগুলোকে তুষের ছাইয়ের মধ্যে ২-২.৫ মাস রেখে আবার রৌদ্রে শুকিয়ে নিতে হয়। এর পর এই গোল গোল সিধল গুলির ওপর হতে কাল একটা আস্তরণ তুলে ফেলে বা চেঁচে ফেলে এগুলিকে কাঁচের বয়ামে সংরক্ষণ করা হয়। এই সিদল কলা পাতায় মুড়িয়ে আগুনে পুড়ে, অথবা তেল ছাড়া তাওয়ায় ভেজে নেওয়া হয় যতক্ষণ না হাল্কা পোড়া পোড়া হয় l ভর্তা তৈরির উপকরণ: সিদল একটি (৫০ গ্রাম), রসুন দুইটি. পেঁয়াজ মাঝারি চারটি, কাঁচামরিচ আটটি, লবণ পরিমাণ মতো, সরিষার তেল দুই চামচ।

যেভাবে তৈরি করবেন

১. সিদল পুড়ে অথবা ঝরঝরে করে তাওয়ায় ভেজে নিতে হবে।

২. সিদল নামিয়ে তাওয়ায় রসুন ও মরিচ ভেজে সব উপকরণ এক সঙ্গে শিলনোড়ায় বেটে নিন ৩. এরপর বাটার সঙ্গে সরিষার তেল মেখে নিন । ৪. সিদল ভর্তা গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন। সাধারণত ঝরঝরে ভাত দিয়ে মেখে খেতে নাকি দারুণ লাগে। যদিও আমি কখনই খাই নি l

মন্তব্য করুন

(বিঃ দ্রঃ আপনার ইমেইল গোপন রাখা হবে) Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.