শুটকির রেসিপি
শুটকির রেসিপি

স্বাদের শুঁটকি ভরা পুষ্টিতে!

স্বাদকে একপাশে রেখে গন্ধের জন্য কারো কাছে শুঁটকি মাছ বেশ অপছন্দের। তবে সব মিলে শুঁটকি কেউ কেউ ভীষণ পছন্দ করে। ভর্তা, ভুনা যায় হোক, শুঁটকি হলে একটু বেশি ভাত খাওয়াই যায়। সংরক্ষণ এবং রান্না দুই সুবিধা থাকায় তাজা মাছের তুলনায় বর্তমানে শুঁটকির বিক্রি বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। প্রচুর পরিমাণে রৌদ্রে শুকানো হয় এই মাছ। তাই শুঁটকিতে ভিটামিন ‘ডি’-এর পরিমাণ রয়েছে পর্যাপ্ত অনুপাতে। এছাড়াও শুঁটকি মাছে আছে অন্যান্য পুষ্টিগুণ। আসুন জেনে নেয়া যাক।
– শুঁটকিতে থাকা ভিটামিন ‘ডি’ হাড়, দাঁত, নখের গঠন মজবুত করার জন্য যথেষ্ট জরুরি।
– শরীরের জন্য উপকারী খনিজ লবণে সমৃদ্ধ সামুদ্রিক শুঁটকি মাছ।
– সুলভ শুঁটকিতে পাওয়া যায় উচ্চমাত্রার আমিষ বা প্রোটিন ও কোলেস্টেরল। যারা কঠোর পরিশ্রম করেন, তাদের জন্য এটি খুবই উপকারী খাবার।
– নিয়মিত শুঁটকি মাছ খেলে দেহ ইনফ্লুয়েঞ্জা জ্বর, যক্ষ্মা প্রতিরোধে সক্ষম হয়।
– এতে আয়রন, আয়োডিনের মাত্রা বেশি থাকার জন্য দেহে রক্ত বাড়ায়, দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে করে শক্তিশালী, শরীরের হরমোনজনিত সমস্যাকে রাখে দূরে।
কিডনি, পিত্তথলি বা গলব্লাডারে পাথর, ইনফেকশনসহ যেকোনো জটিলতার জন্য শুঁটকি মাছ বাদ দেয়া ভালো। জন্ডিস, লিভার সিরোসিস, ফ্যাটি লিভারের রোগীরাও এই মাছ বাদ দিন। কারণ, এতে রয়েছে উচ্চমাত্রার প্রোটিন। লিভার, কিডনি, পিত্তথলিতে সমস্যা থাকলে শুঁটকি মাছের উচ্চমাত্রার প্রোটিন হয়ে যাবে দেহের জন্য হুমকিস্বরূপ।

মন্তব্য করুন

(বিঃ দ্রঃ আপনার ইমেইল গোপন রাখা হবে) Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.